Durga Puja 2026: অষ্টমী সন্ধ্যায় মণ্ডপে মণ্ডপে ভিড়, রাস্তায় ঢল মানুষের, আলোর উৎসবে মেতে আট থেকে আশি
West Bengal 19 Oct 2026, 11:41 PM

Durga Puja 2026: অষ্টমী সন্ধ্যায় মণ্ডপে মণ্ডপে ভিড়, রাস্তায় ঢল মানুষের, আলোর উৎসবে মেতে আট থেকে আশি

A
ABP Ananda
@abpananda
<p>কলকাতা : রাত পোহালে আর মাত্র ২ দিন। শেষ পর্যায়ে বাঙালির প্রাণপ্রিয় দুর্গোৎসব। সকাল থেকেই আজ আবহাওয়া ভাল শহর থেকে জেলায়। ফলে অষ্টমীর আমেজ পুরোপুরি উপভোগ করতে রাস্তায় নেমেছে মানুষের ঢল। কলকাতার উত্তর থেকে দক্ষিণ, অন্যদিকে জেলায় জেলায় চলছে জমিয়ে ঠাকুর দেখা। আজ মহাষ্টমী। বেলুড় মঠ থেকে বাগবাজার সর্বজনীনে ও ম্যাডক্স স্কোয়ারে হয়েছে বিশেষ আরতি। তা দেখতে ভিড় জমিয়েছেন প্রচুর মানুষ। শহরের রাজপথে উৎসবের মেজাজ। রাস্তায় নেমে পড়েছে জনতা। পায়ে পায়ে গন্তব্য পুজো প্যান্ডেল। সন্ধে পেরিয়ে রাত। বাড়ছে ভিড়। কলকাতা থেকে জেলা, রাজপথে জনস্রোত। উত্তর থেকে দক্ষিণ, মণ্ডপে মণ্ডপে মানুষের ঢল। </p>
<p>মণ্ডপে মণ্ডপে পুজো, পুষ্পাঞ্জলি, মাইকে স্তোত্রপাঠ, সকাল থেকেই মহাষ্টমীর আমেজ ছিল ভরপুর। তিথি অনুযায়ী, ভোরবেলাতেই মণ্ডপে মণ্ডপে হয়েছে অষ্টমীর পুষ্পাঞ্জলি। বিভিন্ন জায়গায় কুমারী পুজোর আয়োজন করা হয়েছিল। আজ মহাষ্টমী ও মহানবমীর মিলন মুহূর্তে হয়েছে সন্ধিপুজো। রীতি মেনে বেলুড় মঠ-সহ বনেদি বাড়ি ও বারোয়ারি পুজোয় হয়েছে এই সন্ধিপুজো। এই পুজোয় দেবীকে দেখানো হয় চামুণ্ডা রূপে। প্রতিমার উদ্দেশে অর্পণ করা হয় ১০৮টি পদ্ম ও ১০৮টি দীপ। </p>
<p><iframe title="Durga Puja 2026: Bagbazar সর্বজনীনের পুজো দেখতে দূরদূরান্ত থেকে ভিড় জমিয়েছেন মানুষ | ABP Ananda" src="https://www.youtube.com/embed/aA3p7gcYuG4" width="950" height="534" frameborder="0" allowfullscreen="allowfullscreen"></iframe></p>
<p>অষ্টমীতে উত্তর কলকাতার বাগবাজার সর্বজনীনে বীরাষ্টমীর প্রথা পালন করা হয়। লাঠি খেলার মাধ্যমে এই মণ্ডপে বীরাষ্টমী প্রথা পালন করা হয়। পরাধীন দেশে লাঠি এবং তরোয়াল খেলার মধ্য়ে দিয়ে শরীরচর্চা করতেন বিপ্লবীরা। পরে তা মাতৃ আরাধনার অঙ্গ হয়ে যায়। সেই প্রথা মেনে বাগবাজার সর্বজনীনে এবারও মহাষ্টমীতে আয়োজন করা হয়েছিল লাঠি খেলার। আর তার মাধ্যমেই পালিত হয়েছে বীরাষ্টমী প্রথা। </p>
<p>ভোরে মঙ্গলারতি দিয়ে বেলুড় মঠে শুরু হয় অষ্টমী পুজো। ভোর পাঁচটা চল্লিশ মিনিট থেকে শুরু হয় মহাষ্টমীর পুজো। ইতিহাস, ঐতিহ্য মেনে বেলুড় মঠে কুমারী পুজোর আয়োজন করা হয়। দেবীকে মৃন্ময়ী রূপে আরাধনার পাশাপাশি কুমারীর মধ্যে মাতৃরূপ দর্শন, এই প্রথা মেনেই প্রতিবারের মতো এবারও বেলুড় মঠে কুমারী পুজোর আয়োজন করা হয়৷ সকাল ন'টা থেকে বেলুড় মঠে হয়েছে কুমারী পুজো। কুমারী পুজোর জন্য ৫-৭ বছর বয়সিদের বেছে নেওয়া হয়েছিল। ১৯০১ সালে মা সারদার উপস্থিতিতে শঙ্খ, বাদ্য, অর্ঘ, বলয় ও বস্ত্রাদি সহযোগে ৯ জন কুমারীকে পুজো করেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ৷ সেই থেকেই চলে আসছে এই প্রথা৷ কুমারী পুজো দেখতে সকাল থেকেই বেলুড় মঠে ছিল উপচে পড়া ভিড়৷ এরপর বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মেনে বেলুড় মঠে সন্ধিপুজো শুরু হয়। সকাল দশটা আঠাশ মিনিট থেকে শুরু হয়ে সকাল এগারোটা ষোলো পর্যন্ত চলে সন্ধিপুজো। প্রতিদিনের মতো আজও বেলুড় মঠের মা সারদা সদাব্রত ভবনে সাধারণের জন্য ভোগ বিতরণ করা হয়েছে। দুপুর ১২টা থেকে শুরু হয় ভক্তদের জন্য় ভোগ বিতরণ। পুজোর এই কদিন সারা দিন বেলুড় মঠে সাধারণের জন্য় অবারিত দ্বার। সন্ধেবেলাতেও মহাষ্টমীতে আরতি হয়েছে বেলুড় মঠে। </p>
Source Credit: bengali.abplive.com
Read Full Story
1

Comments (0)

Login to join the conversation