Belur Math Durga Puja: মঙ্গলারতি দিয়ে বেলুড় মঠে শুরু অষ্টমী পুজো, দেবীকে মৃন্ময়ী রূপে আরাধনা
West Bengal 19 Oct 2026, 09:40 AM

Belur Math Durga Puja: মঙ্গলারতি দিয়ে বেলুড় মঠে শুরু অষ্টমী পুজো, দেবীকে মৃন্ময়ী রূপে আরাধনা

A
ABP Ananda
@abpananda
<p><strong>কলকাতা:</strong> আজ মহাষ্টমী।  মণ্ডপে মণ্ডপে পুজো, পুষ্পাঞ্জলি, মাইকে স্তোত্রপাঠ৷  তিথি অনুযায়ী, ভোরবেলাতেই মণ্ডপে মণ্ডপে হয় অষ্টমীর পুষ্পাঞ্জলি। বিভিন্ন জায়গায় কুমারী পুজোর আয়োজন করা হয়েছে। আজ মহাষ্টমী ও মহানবমীর মিলন মুহূর্তে হবে সন্ধিপুজো ৷ কালিকাপুরাণ অনুযায়ী, ‘আশ্বিনস্য তু শুক্লস্য ভবেদ্ যা অষ্টমী তিথিঃ। মহাষ্টমীতি সা প্রোক্তা দেব্যাঃ প্রীতিকরী পরা।।’ যার অর্থ, আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথি দেবীর প্রীতিকরী। তাই সেটি ‘মহাষ্টমী’ নামে পরিচিত। রীতি মেনে বেলুড় মঠ সহ বনেদি বাড়ি ও বারোয়ারি পুজোয় হবে সন্ধিপুজো। এই পুজোয় দেবীকে দেখানো হয় চামুণ্ডা রূপে। প্রতিমার উদ্দেশে অর্পণ করা হয় ১০৮টি পদ্ম ও ১০৮টি দীপ ৷ </p>
<p><strong>মহাঅষ্টমীর বিশেষত্ব ও তাৎপর্য</strong></p>
<p><strong>মহাবিপদ নাশ:</strong> স্মার্ত পণ্ডিত রঘুনন্দনের মতে, "মহাবিপত্তারকত্বাদ্ গীয়তেহসৌ মহাষ্টমী" অর্থাৎ দেবী দুর্গার আবির্ভাবে ত্রিলোকের মহাবিপদ নাশ হয় বলে এই দিনটি মহাষ্টমী নামে পরিচিত।</p>
<p><strong>অসুর বধ ও শক্তির প্রকাশ:</strong> এই দিনে দেবী চামুণ্ডা রূপ ধারণ করে চণ্ড, মুণ্ড এবং রক্তবীজ অসুরকে বধ করেছিলেন। মন্দের ওপর শুভ ও ঐশ্বরিক শক্তির জয়ের প্রতীক এই দিনটি।</p>
<p><strong>সন্ধিপুজো:</strong> মহাঅষ্টমী তিথির শেষ ২৪ মিনিট এবং মহানবমীর প্রথম ২৪ মিনিট—মোট ৪৮ মিনিটের সন্ধিক্ষণে অনুষ্ঠিত হয় বহুল প্রতীক্ষিত সন্ধিপুজো। এই সময়কে দুর্গোৎসবের শ্রেষ্ঠ পুণ্যলগ্ন ধরা হয়।  এই দিনে দেবী দুর্গার ত্রিশূল, খড়্গ, চক্রসহ বিভিন্ন অস্ত্রের পুজো (বীর অষ্টমী ব্রত) করা হয়, যা দেবী ও নারীর শৌর্য ও সুরক্ষার প্রতীক। ১০৮ প্রদীপ, ১০৮ পদ্ম নিবেদন করে ৪৮ মিনিটের এই বিশেষ পুজোর মাধ্যমে মহাষ্টমী পেরিয়ে এসে পড়ে মহাপুজোর শেষ তিথি, নবমী।</p>
<p>ভোরে মঙ্গলারতি দিয়ে বেলুড় মঠে শুরু হয় অষ্টমী পুজো। ইতিহাস, ঐতিহ্য মেনে বেলুড় মঠে আজ হবে কুমারী পুজো। দেবীকে মৃন্ময়ী রূপে আরাধনার পাশাপাশি কুমারীর মধ্যে মাতৃরূপ দর্শন, এই প্রথা মেনেই প্রতিবারের মতো এবারও বেলুড় মঠে কুমারী পুজোর আয়োজন করা হয়েছে ৷ ১৯০১ সালে মা সারদার উপস্থিতিতে শঙ্খ, বাদ্য, অর্ঘ, বলয় ও বস্ত্রাদি সহযোগে ৯ জন কুমারীকে পুজো করেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ৷ সেই থেকেই চলে আসছে এই প্রথা৷ প্রতিদিনের মতো আজও বেলুড় মঠের মা সারদা সদাব্রত ভবনে সাধারণের জন্য ভোগ বিতরণ করা হবে। পুজোর এই কদিন সারা দিন বেলুড় মঠে সাধারণের জন্য অবারিত দ্বার। <br /> </p>
<p><iframe title="YouTube video player" src="https://www.youtube.com/embed/PKwLsAu-z10?si=PyWrZ_c0HzPW-6gE" width="560" height="315" frameborder="0" allowfullscreen="allowfullscreen"></iframe></p>
Source Credit: bengali.abplive.com
Read Full Story
1

Comments (0)

Login to join the conversation