West Bengal
02 Nov 2026, 09:15 AM
CM Suvendu Adhikari: মতুয়াদের জন্য 'কল্পতরু', কী কী প্রতিশ্রুতি মুখ্যমন্ত্রীর ?
A
ABP Ananda
@abpananda
<p><strong>শিবাশিস মৌলিক, সমীরণ পাল ও অনির্বাণ বিশ্বাস,কলকাতা:</strong> মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার ঠাকুরনগরের মতুয়াবাড়িতে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী। &nbsp;CAA সার্টিফিকেট দেওয়া থেকে মতুয়াদের নাম ভোটার তালিকায় তোলা, একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি শোনা গেল মুখ্যমন্ত্রীর মুখে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'আড়াই লক্ষ পিটিশনার আছে এখনও অবধি। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শুনানি শেষ করে সকলকে CAA-তে আমরা সার্টিফিকেট প্রদান করব।'</p>
<p>[yt]https://youtu.be/EBKLwudnkLc?si=5AxxhLB42S2GE2hP[/yt]</p>
<p>আরও পড়ুন, <a title="৪৬ বছর পর নতুন অধ্যায়, পশ্চিমবঙ্গ থেকেই পথ চলা শুরু বিজেপির শ্রমিক সংগঠনের" href="https://bengali.abplive.com/district/bjp-forms-first-trade-union-workers-unions-from-kolkata-1197926" target="_self">৪৬ বছর পর নতুন অধ্যায়, পশ্চিমবঙ্গ থেকেই পথ চলা শুরু বিজেপির শ্রমিক সংগঠনের</a></p>
<p>SIR-এর পর মতুয়াদের একটা অংশের নাম বাদ গেছে ভোটার তালিকা থেকে। যাকে হাতিয়ার করে বিজেপির দিকে একাধিকবার নিশানা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা তৃণমূল কংগ্রেস দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যান বাগদায় গিয়ে দেখুন কত মতুয়াদের নাম কেটেছে। কত তপশিলিদের নাম কেটেছে। বনগাঁয় গিয়ে দেখুন, কত তপশিলিদের নাম কেটেছে। এবার সেই মতুয়া সম্প্রদায়কেই আশার আলো দেখালেন মুখ্যমন্ত্রী।তাঁর প্রশাসনের সহযোগিতায় নথি তৈরি করে ভোটার তালিকায় নাম তুলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'জানুয়ারি মাসে যখন বিশেষ রিভিশন চালু হবে, CAA সার্টিফিকেট প্রাপকরা ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা উদ্যোগ গ্রহণ করব। ইলেকশন কমিশনকে বলে এবং আপনাদের প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ, কাগজপত্র তৈরি করে যাতে আপনারা প্রত্যেকেই ভোটাধিকার পান।'<br />&nbsp;<br />রাজ্যে পালাবদলের পর প্রথমবার ঠাকুরনগরের মতুয়া বাড়িতে পা রাখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।রবিবার, মতুয়া গোঁসাই সম্মেলনে যোগ দিয়ে মতুয়া সম্প্রদায়ের জন্য এক গুচ্ছ ঘোষণা করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমি কথা দিয়ে গেলাম মতুয়া বোর্ড পুনর্গঠন করে এই অর্থবর্ষে মতুয়া বোর্ডের মাধ্যমে বিশেষ উন্নয়নের জন্য ৫০ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। মতুয়া বোর্ড যদি মনে করে গোঁসাই সমাজের কল্যাণে যে কোনও ধরনের স্কিম নিতে পারবে, সেই অধিকারও আমরা মতুয়া উন্নয়ন বোর্ডকে দেব।'এরাজ্যে বরাবর ভোটে বড় ফ্যাক্টর হয়েছে মতুয়া ভোট। ২০১১-র পরিবর্তনের আগে এই মতুয়া ভোটের সিংহভাগই ছিল বামেদের দখলে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার আসার পর সেই ভোটের বেশিরভাগটাই চলে যায় তৎকালীন তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে।পরবর্তীকালে মোদি সরকারের আমলে CAA আইন করে মতুয়াদের নাগরিকত্ব দেওয়ার আশ্বাস দেয় বিজেপি। ফলে মতুয়া ভোটের অবস্থানও ফের বদলায়। বিজেপিকে ঢালাও সমর্থন দেন মতুয়ারা।&nbsp;<br />&nbsp;<br />এবারের বিধানসভা ভোটেও মতুয়াদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন গেছে বিজেপিরই দিকে।এবার সেই মতুয়া সম্প্রদায়কে নানা প্রতিশ্রুতি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'আমি কথা দিয়ে গেলাম আগামী বাজেটে ঠাকুরনগর পুরসভা হিসাবে ঘোষণা হবে।মন্দিরটা আরও বড় করতে হবে, বিরাট মন্দির করতে হবে। আমি তীর্থক্ষেত্র সার্কিট থেকে এখানে একটি পূর্ণাঙ্গ মন্দির, আপনারা যেমন চাইছেন ট্রাস্টের জায়গায় আমি সেটা করে দেব আজকে কথা দিয়ে গেলাম। আপনি নিশ্চিন্ত থাকুন একদম সুন্দর মন্দির হবে। ভূমিপূজনে আমি আসব আর উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রীকে আমরা ডাকব। &nbsp;আমি আজকে এখানে যে যে কথাগুলো দিয়ে গেলাম, এই কথাগুলো আমি রাখব, এটুকু বিশ্বাস ভরসা রাখতে পারেন।'<br />&nbsp;<br />হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মতিথি উপলক্ষে ঠাকুরনগরে প্রতিবার আয়োজন করা হয় বারুণি মেলার, যার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে মতুয়া সম্প্রদায়ের আবেগ। কিন্তু সেই বারুণি মেলাকে ঘিরে তৎকালীন তৃণমূল আমলে সামনে এসেছে শান্তনু ঠাকুর ও মমতা ঠাকুরের দ্বন্দ্ব। মতুয়াবাড়ির গৃহযুদ্ধের সেই প্রসঙ্গ টেনে <a title="মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়" href="https://bengali.abplive.com/topic/mamata-banerjee" data-type="interlinkingkeywords">মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়</a>ের শিবিরকে খোঁচা দিতে ছাড়েননি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী <a title="শুভেন্দু অধিকারী" href="https://bengali.abplive.com/topic/suvendu-adhikari" data-type="interlinkingkeywords">শুভেন্দু অধিকারী</a> বলেন, 'আজকে কথা দিয়ে গেলাম বারুণী মেলা নিয়ে কোর্টে লড়াই হবে না। ঝামেলা করতে দেব না। &nbsp;ঠাকুরবাড়িকে বিভাজিত করার যে রাজনীতি মমতা ব্যানার্জি আর জেলখাটা জ্য়োতিপ্রিয় মল্লিকরা করেছেন, আমরা এবারে তা করতে দেব না। একইভাবে বারুণী মেলাকেও সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ বিশেষ বিশেষ সহযোগিতা করা হবে। এই মেলাকে জাতীয় মেলায় পরিণত করার জন্য আমরা চেষ্টা করব।'রবিবার ঠাকুর নগরের মন্দিরের পুজো দেওয়ার পাশাপাশি নিজের হাতে আরতি করতেও দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে।</p>
<p>[yt]https://youtu.be/EBKLwudnkLc?si=5AxxhLB42S2GE2hP[/yt]</p>
<p>আরও পড়ুন, <a title="৪৬ বছর পর নতুন অধ্যায়, পশ্চিমবঙ্গ থেকেই পথ চলা শুরু বিজেপির শ্রমিক সংগঠনের" href="https://bengali.abplive.com/district/bjp-forms-first-trade-union-workers-unions-from-kolkata-1197926" target="_self">৪৬ বছর পর নতুন অধ্যায়, পশ্চিমবঙ্গ থেকেই পথ চলা শুরু বিজেপির শ্রমিক সংগঠনের</a></p>
<p>SIR-এর পর মতুয়াদের একটা অংশের নাম বাদ গেছে ভোটার তালিকা থেকে। যাকে হাতিয়ার করে বিজেপির দিকে একাধিকবার নিশানা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা তৃণমূল কংগ্রেস দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যান বাগদায় গিয়ে দেখুন কত মতুয়াদের নাম কেটেছে। কত তপশিলিদের নাম কেটেছে। বনগাঁয় গিয়ে দেখুন, কত তপশিলিদের নাম কেটেছে। এবার সেই মতুয়া সম্প্রদায়কেই আশার আলো দেখালেন মুখ্যমন্ত্রী।তাঁর প্রশাসনের সহযোগিতায় নথি তৈরি করে ভোটার তালিকায় নাম তুলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'জানুয়ারি মাসে যখন বিশেষ রিভিশন চালু হবে, CAA সার্টিফিকেট প্রাপকরা ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা উদ্যোগ গ্রহণ করব। ইলেকশন কমিশনকে বলে এবং আপনাদের প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ, কাগজপত্র তৈরি করে যাতে আপনারা প্রত্যেকেই ভোটাধিকার পান।'<br />&nbsp;<br />রাজ্যে পালাবদলের পর প্রথমবার ঠাকুরনগরের মতুয়া বাড়িতে পা রাখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।রবিবার, মতুয়া গোঁসাই সম্মেলনে যোগ দিয়ে মতুয়া সম্প্রদায়ের জন্য এক গুচ্ছ ঘোষণা করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমি কথা দিয়ে গেলাম মতুয়া বোর্ড পুনর্গঠন করে এই অর্থবর্ষে মতুয়া বোর্ডের মাধ্যমে বিশেষ উন্নয়নের জন্য ৫০ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। মতুয়া বোর্ড যদি মনে করে গোঁসাই সমাজের কল্যাণে যে কোনও ধরনের স্কিম নিতে পারবে, সেই অধিকারও আমরা মতুয়া উন্নয়ন বোর্ডকে দেব।'এরাজ্যে বরাবর ভোটে বড় ফ্যাক্টর হয়েছে মতুয়া ভোট। ২০১১-র পরিবর্তনের আগে এই মতুয়া ভোটের সিংহভাগই ছিল বামেদের দখলে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার আসার পর সেই ভোটের বেশিরভাগটাই চলে যায় তৎকালীন তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে।পরবর্তীকালে মোদি সরকারের আমলে CAA আইন করে মতুয়াদের নাগরিকত্ব দেওয়ার আশ্বাস দেয় বিজেপি। ফলে মতুয়া ভোটের অবস্থানও ফের বদলায়। বিজেপিকে ঢালাও সমর্থন দেন মতুয়ারা।&nbsp;<br />&nbsp;<br />এবারের বিধানসভা ভোটেও মতুয়াদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন গেছে বিজেপিরই দিকে।এবার সেই মতুয়া সম্প্রদায়কে নানা প্রতিশ্রুতি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'আমি কথা দিয়ে গেলাম আগামী বাজেটে ঠাকুরনগর পুরসভা হিসাবে ঘোষণা হবে।মন্দিরটা আরও বড় করতে হবে, বিরাট মন্দির করতে হবে। আমি তীর্থক্ষেত্র সার্কিট থেকে এখানে একটি পূর্ণাঙ্গ মন্দির, আপনারা যেমন চাইছেন ট্রাস্টের জায়গায় আমি সেটা করে দেব আজকে কথা দিয়ে গেলাম। আপনি নিশ্চিন্ত থাকুন একদম সুন্দর মন্দির হবে। ভূমিপূজনে আমি আসব আর উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রীকে আমরা ডাকব। &nbsp;আমি আজকে এখানে যে যে কথাগুলো দিয়ে গেলাম, এই কথাগুলো আমি রাখব, এটুকু বিশ্বাস ভরসা রাখতে পারেন।'<br />&nbsp;<br />হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মতিথি উপলক্ষে ঠাকুরনগরে প্রতিবার আয়োজন করা হয় বারুণি মেলার, যার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে মতুয়া সম্প্রদায়ের আবেগ। কিন্তু সেই বারুণি মেলাকে ঘিরে তৎকালীন তৃণমূল আমলে সামনে এসেছে শান্তনু ঠাকুর ও মমতা ঠাকুরের দ্বন্দ্ব। মতুয়াবাড়ির গৃহযুদ্ধের সেই প্রসঙ্গ টেনে <a title="মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়" href="https://bengali.abplive.com/topic/mamata-banerjee" data-type="interlinkingkeywords">মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়</a>ের শিবিরকে খোঁচা দিতে ছাড়েননি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী <a title="শুভেন্দু অধিকারী" href="https://bengali.abplive.com/topic/suvendu-adhikari" data-type="interlinkingkeywords">শুভেন্দু অধিকারী</a> বলেন, 'আজকে কথা দিয়ে গেলাম বারুণী মেলা নিয়ে কোর্টে লড়াই হবে না। ঝামেলা করতে দেব না। &nbsp;ঠাকুরবাড়িকে বিভাজিত করার যে রাজনীতি মমতা ব্যানার্জি আর জেলখাটা জ্য়োতিপ্রিয় মল্লিকরা করেছেন, আমরা এবারে তা করতে দেব না। একইভাবে বারুণী মেলাকেও সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ বিশেষ বিশেষ সহযোগিতা করা হবে। এই মেলাকে জাতীয় মেলায় পরিণত করার জন্য আমরা চেষ্টা করব।'রবিবার ঠাকুর নগরের মন্দিরের পুজো দেওয়ার পাশাপাশি নিজের হাতে আরতি করতেও দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে।</p>
Source Credit: bengali.abplive.com
Read Full Story
2
Comments (0)