West Bengal
31 Oct 2026, 02:46 PM
সম্মতির সম্পর্কে ধর্ষণের অভিযোগ! সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্ন, পুরুষের কি ব্রেক আপের অধিকার নেই?
S
Sangbad Pratidin
@sangbadpratidin
বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস, তারপর বিয়ে না হওয়ায় ধর্ষণের মামলা দায়ের-এমন ঘটনা অহরহ ঘটছে দেশের নানা প্রান্তে। এমনই এক অভিযোগে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। শীর্ষ আদালত মনে করছে, দেশে ধর্ষণের ভুয়ো মামলা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে সম্মতির শারীরিক সম্পর্ক পরে এমনভাবে দেখানো হচ্ছে, যাতে মনে হয় শারীরিক হেনস্তা না ধর্ষণ হয়েছে।
সম্প্রতি এক যুবকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলার শুনানি চলছিল সুপ্রিম কোর্টে। বিচারপতি বিভি নাগরত্ন এবং বিচারপতি আর মহাদেবনের ডিভিশন বেঞ্চ বলছে, “আমরা একটা ভয়ঙ্কর ও উদ্বেগজনক ট্রেন্ডের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। অনেক সময় দেখা যাচ্ছে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে গড়ে ওঠা সম্পর্ক শেষ হয়ে যাওয়ার পর, সেগুলোকে অত্যন্ত সুক্ষ্মভাবে পুনরায় ফিরে দেখা হচ্ছে। উদ্দেশ্য হলো, এমন কিছু খুঁজে বের করা যা পরবর্তীকালে সহিংসতা বা যৌন নিপীড়ন হিসেবে গণ্য হতে পারে।”
শীর্ষ আদালতের সাফ বক্তব্য, মহিলাদের এই ধরনের মানসিকতা পুরুষকে অনিচ্ছা সত্ত্বেও সম্পর্কে আটকে রাখছে। ডিভিশন বেঞ্চ বলছে, “এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে যা পুরুষকে তাঁর সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত করে। কারণ কোনো এক পর্যায়ে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে গড়ে ওঠা একটি সম্পর্কের অস্তিত্বই তাকে এমন এক পরিস্থিতির জালে আটকে ফেলে, যেখানে পরবর্তী সময়ে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার ভয়ে সে সেই সম্পর্কে আটকে থাকতে বাধ্য হয়।” শীর্ষ আদালতের প্রশ্ন, “এক্ষেত্রে তো প্রশ্ন তুলতে হয়, পুরুষের কি কোনও সম্পর্ক থেকে বেরনোর অধিকার নেই?”
একই সঙ্গে সত্যিকারের ধর্ষণের মামলা নিয়েও সতর্ক শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট বলছে, দেশে এখনও বহু ধর্ষণে মামলা পর্যন্ত দায়ের হয় না। রোজ বহু নারী নির্যাতিত হচ্ছে। তাই প্রতিটি মামলার ক্ষেত্রে ভালো করে তদন্ত করে তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
সম্প্রতি এক যুবকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলার শুনানি চলছিল সুপ্রিম কোর্টে। বিচারপতি বিভি নাগরত্ন এবং বিচারপতি আর মহাদেবনের ডিভিশন বেঞ্চ বলছে, “আমরা একটা ভয়ঙ্কর ও উদ্বেগজনক ট্রেন্ডের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। অনেক সময় দেখা যাচ্ছে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে গড়ে ওঠা সম্পর্ক শেষ হয়ে যাওয়ার পর, সেগুলোকে অত্যন্ত সুক্ষ্মভাবে পুনরায় ফিরে দেখা হচ্ছে। উদ্দেশ্য হলো, এমন কিছু খুঁজে বের করা যা পরবর্তীকালে সহিংসতা বা যৌন নিপীড়ন হিসেবে গণ্য হতে পারে।”
শীর্ষ আদালতের সাফ বক্তব্য, মহিলাদের এই ধরনের মানসিকতা পুরুষকে অনিচ্ছা সত্ত্বেও সম্পর্কে আটকে রাখছে। ডিভিশন বেঞ্চ বলছে, “এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে যা পুরুষকে তাঁর সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত করে। কারণ কোনো এক পর্যায়ে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে গড়ে ওঠা একটি সম্পর্কের অস্তিত্বই তাকে এমন এক পরিস্থিতির জালে আটকে ফেলে, যেখানে পরবর্তী সময়ে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার ভয়ে সে সেই সম্পর্কে আটকে থাকতে বাধ্য হয়।” শীর্ষ আদালতের প্রশ্ন, “এক্ষেত্রে তো প্রশ্ন তুলতে হয়, পুরুষের কি কোনও সম্পর্ক থেকে বেরনোর অধিকার নেই?”
একই সঙ্গে সত্যিকারের ধর্ষণের মামলা নিয়েও সতর্ক শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট বলছে, দেশে এখনও বহু ধর্ষণে মামলা পর্যন্ত দায়ের হয় না। রোজ বহু নারী নির্যাতিত হচ্ছে। তাই প্রতিটি মামলার ক্ষেত্রে ভালো করে তদন্ত করে তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
Source Credit: sangbadpratidin.in
Read Full Story
1
Comments (0)