West Bengal
29 Oct 2026, 07:26 PM
হঠাৎই ছত্তিশগড়ের আকাশ গাঢ় লাল, নেপথ্যে প্রকৃতির রুদ্ররোষ!
S
Sangbad Pratidin
@sangbadpratidin
যেন আগুন লেগেছে আকাশের ওপারে! চোখ তুলে তাকালে শিউরে উঠতে হবে। আকাশ জুড়ে আশ্চর্য লাল রঙের দাপাদাপি। ছত্তিশগড়ে এমনই দৃশ্যের সাক্ষী হলেন বহু মানুষ। কিন্তু কেন? হঠাৎই এমন দৃশ্য দেখা গেল কেন?
মনে করা হচ্ছে, এর নেপথ্যে রয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’। ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবের কারণেই ছত্তিশগড়ের কিছু এলাকায় আকাশ লাল হয়ে গিয়েছিল। ওই অঞ্চলে ৬০-৮০/ ঘণ্টায় বাতাস বইছিল। সর্বোচ্চ গতিবেগ দেখা গিয়েছে ৯০ কিমি/ ঘণ্টা পর্যন্ত। আর তারই ফলে নাকি আকাশের ওইরকম রক্তবর্ণ চেহারা তৈরি হয়ে গিয়েছিল! তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেবল ওই কারণেই আকাশ লাল হয়ে যায়নি। হয়তে এদের মধ্যে যোগসূত্র রয়েছে। কিন্তু এছাড়াও বাতাসের ধূলিকণা, বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থা, মেঘের আবরণ, সূর্যের অবস্থানের মতো নানা ফ্যাক্টর এক্ষেত্রে ভূমিকা নিয়েছে বলেই মনে করছেন তাঁরা। বলে রাখা ভালো, আকাশের এমন রক্তবর্ণ হয়ে ওঠা কিন্তু খুব বিরল কিছু নয়। অনেক সময়ই বায়ুমণ্ডলে থাকা ধূলিকণায় অস্তগামী সূর্যের আলো পড়লে এমন দৃশ্য তৈরি হয়। কেবল সূর্যাস্ত নয়, সূর্যোদয়ের সময়ও এমন আশ্চর্য দৃশ্য অনেক সময়ই দেখা যায়। যার নেপথ্যে ধূলিকণা ও সূর্যের আলোর ‘কারসাজি’।
Sky turns red in some areas of Chhattisgarh due to cyclone Arnab. Brings winds of 60-80 km/h with gusts upto 90 km/h. Residents are adviced to follow official weather alerts and local authorities instructions. #CycloneArnab #WeatherAlert #CycloneUpdate https://t.co/fRKPGp2hTp
— Nisha Yadav (@valuecraft_) October 28, 2026
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার মধ্যরাতে ল্যান্ডফল হয়েছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের। ৬ ঘণ্টা ধরে চলেছে ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া। অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূল কাকিনাদা ও পুদুচেরির ইয়ানামের মধ্যবর্তী অঞ্চলে এর ল্যান্ডফল হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে প্রাথমিকভাবে ৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছিল। পরে সংখ্যাটা বেড়েছে। ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে ফসলের খেতে। বহু বাড়িও ভেঙে পড়েছে। এছাড়া ভেঙেছে গাছ এবং বিদ্যুৎ সরবরাহের খুঁটি। সবমিলিয়ে বেশ কয়েকটি জেলায় প্রবলভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বহু জায়গাতেই এখনও নেই বিদ্যুৎ সংযোগ। পরোক্ষ প্রভাব পড়েছে বাংলাতেও। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুরের সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে বৃষ্টি হচ্ছে। সঙ্গে চলছে ঝোড়ো হাওয়া। দার্জিলিং ও সিকিমে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
মনে করা হচ্ছে, এর নেপথ্যে রয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’। ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবের কারণেই ছত্তিশগড়ের কিছু এলাকায় আকাশ লাল হয়ে গিয়েছিল। ওই অঞ্চলে ৬০-৮০/ ঘণ্টায় বাতাস বইছিল। সর্বোচ্চ গতিবেগ দেখা গিয়েছে ৯০ কিমি/ ঘণ্টা পর্যন্ত। আর তারই ফলে নাকি আকাশের ওইরকম রক্তবর্ণ চেহারা তৈরি হয়ে গিয়েছিল! তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেবল ওই কারণেই আকাশ লাল হয়ে যায়নি। হয়তে এদের মধ্যে যোগসূত্র রয়েছে। কিন্তু এছাড়াও বাতাসের ধূলিকণা, বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থা, মেঘের আবরণ, সূর্যের অবস্থানের মতো নানা ফ্যাক্টর এক্ষেত্রে ভূমিকা নিয়েছে বলেই মনে করছেন তাঁরা। বলে রাখা ভালো, আকাশের এমন রক্তবর্ণ হয়ে ওঠা কিন্তু খুব বিরল কিছু নয়। অনেক সময়ই বায়ুমণ্ডলে থাকা ধূলিকণায় অস্তগামী সূর্যের আলো পড়লে এমন দৃশ্য তৈরি হয়। কেবল সূর্যাস্ত নয়, সূর্যোদয়ের সময়ও এমন আশ্চর্য দৃশ্য অনেক সময়ই দেখা যায়। যার নেপথ্যে ধূলিকণা ও সূর্যের আলোর ‘কারসাজি’।
Sky turns red in some areas of Chhattisgarh due to cyclone Arnab. Brings winds of 60-80 km/h with gusts upto 90 km/h. Residents are adviced to follow official weather alerts and local authorities instructions. #CycloneArnab #WeatherAlert #CycloneUpdate https://t.co/fRKPGp2hTp
— Nisha Yadav (@valuecraft_) October 28, 2026
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার মধ্যরাতে ল্যান্ডফল হয়েছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের। ৬ ঘণ্টা ধরে চলেছে ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া। অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূল কাকিনাদা ও পুদুচেরির ইয়ানামের মধ্যবর্তী অঞ্চলে এর ল্যান্ডফল হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে প্রাথমিকভাবে ৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছিল। পরে সংখ্যাটা বেড়েছে। ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে ফসলের খেতে। বহু বাড়িও ভেঙে পড়েছে। এছাড়া ভেঙেছে গাছ এবং বিদ্যুৎ সরবরাহের খুঁটি। সবমিলিয়ে বেশ কয়েকটি জেলায় প্রবলভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বহু জায়গাতেই এখনও নেই বিদ্যুৎ সংযোগ। পরোক্ষ প্রভাব পড়েছে বাংলাতেও। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুরের সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে বৃষ্টি হচ্ছে। সঙ্গে চলছে ঝোড়ো হাওয়া। দার্জিলিং ও সিকিমে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
Source Credit: sangbadpratidin.in
Read Full Story
2
Comments (0)