West Bengal
10 Oct 2026, 08:41 PM
ভালোবাসা অটুট, কিন্তু সঙ্গীর সঙ্গে দূরত্ব বেড়ে ডিভোর্সের পরিস্থিতি? নেপথ্যে লুকিয়ে এই কারণ
S
Sangbad Pratidin
@sangbadpratidin
সম্পর্ক ভাঙা মানেই সবসময় ভালোবাসার ইতি নয়। এক সমুদ্র ভালোবাসা বুকে নিয়েও কেউ কেউ সঙ্গীর হাত ছাড়তে বাধ্য হন। কারণ, ভাগ্যে কী আছে, তা যে সকলেরই অজানা। কখনও পরিবার, কখনও ভুল বোঝাবুঝি, কখনও আবার মতের অমিল সম্পর্ক ভাঙার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কেউ আবার ভাঙা সম্পর্কই কোনওক্রমে এগিয়ে নিয়ে যান। তবে বিচ্ছেদ হোক বা মনের দূরত্ব, অনুভূতি থেকেই যায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন কোন কারণে ভালোবাসা থাকা সত্ত্বেও ক্রমশ দূরে সরে যায় দুটো মানুষ।
১. বিল-খরচ, কাজকর্ম, বাজার, পারিবারিক পরিকল্পনা আর কাজ ব্যালান্স করতে গিয়ে দম্পতিরা গুছিয়ে সংসার করার ক্ষেত্রে পারদর্শী হয়ে ওঠেন। কিন্তু জীবনটা উপভোগ করতে ভুলে যান। নিখাদ আড্ডা, একে অপরকে সময় দেওয়া, একসঙ্গে সিনেমা দেখতে যাওয়া, এসব আর হয় না। তখন কথা মানেই কী কী কাজ করতে হবে। অর্থাৎ্ দায়িত্ব-কর্তব্য নিয়ে আলোচনা ছাড়া আর কোনও কথা থাকে না। যা খুব স্বাভাবিক নিয়মেই দূরত্ব বাড়ায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে।
ভালোবাসা অটুট, কিন্তু সঙ্গীর সঙ্গে দূরত্ব বেড়ে ডিভোর্সের পরিস্থিতি?
২. সবসময় যে বড় ঝগড়াই দূরত্ব তৈরি করে, তা কিন্তু নয়। কখনও কখনও ছোটখাটো বিষয়, যার কোনও সুরাহা হয় না, সেগুলোই দূরত্ব বাড়িয়ে দেয়। যেমন বারবার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা, সঙ্গীকে উপেক্ষিত অনুভব করানো, কাজের যথাযথ মূল্যায়ন না দেওয়া। এগুলো মনের ভিতরে বড়সড় ক্ষত তৈরি করা।
৩. একজনের মন খারাপ, কিন্তু কিছুই বলছেন না। অন্যজন তা খেয়াল করেও কিছু জিজ্ঞেস করছেন না। এরপর দুজনেই নিজেদের মতো এগিয়ে যান। এমনটা বারবার ঘটতে পারে, যতক্ষণ না নীরবতাকেই সবচেয়ে সহজ পথ বলে মনে হয়। কঠিন বিষয় নিয়ে আলোচনা এড়িয়ে চললে হয়তো সাময়িকভাবে শান্তি বজায় থাকে, কিন্তু এতে দুটো কাছের মানুষের মাঝে তৈরি হয় অসীম দূরত্ব।
৪. ভালোবাসার জন্য সময়ের প্রয়োজন, অথচ বর্তমান সময়ে সকলেই ব্যস্ত। একদিকে কাজ, অন্যদিকে পরিবার, বন্ধুবান্ধব-ব্যালান্স করতে গিয়ে হিমশিম খায় সকলে। তারপরও যেটুকু সময় বাঁচে তা গ্রাস করে মোবাইল। ফলে সঙ্গীর প্রতি গভীর ভালোবাসা থাকা সত্ত্বেও অনেক সময় একসঙ্গে সময় কাটানো, তার মনের কথা শোনা হয়ে ওঠে না। তাতে বাড়ে দূরত্ব।
১. বিল-খরচ, কাজকর্ম, বাজার, পারিবারিক পরিকল্পনা আর কাজ ব্যালান্স করতে গিয়ে দম্পতিরা গুছিয়ে সংসার করার ক্ষেত্রে পারদর্শী হয়ে ওঠেন। কিন্তু জীবনটা উপভোগ করতে ভুলে যান। নিখাদ আড্ডা, একে অপরকে সময় দেওয়া, একসঙ্গে সিনেমা দেখতে যাওয়া, এসব আর হয় না। তখন কথা মানেই কী কী কাজ করতে হবে। অর্থাৎ্ দায়িত্ব-কর্তব্য নিয়ে আলোচনা ছাড়া আর কোনও কথা থাকে না। যা খুব স্বাভাবিক নিয়মেই দূরত্ব বাড়ায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে।
ভালোবাসা অটুট, কিন্তু সঙ্গীর সঙ্গে দূরত্ব বেড়ে ডিভোর্সের পরিস্থিতি?
২. সবসময় যে বড় ঝগড়াই দূরত্ব তৈরি করে, তা কিন্তু নয়। কখনও কখনও ছোটখাটো বিষয়, যার কোনও সুরাহা হয় না, সেগুলোই দূরত্ব বাড়িয়ে দেয়। যেমন বারবার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা, সঙ্গীকে উপেক্ষিত অনুভব করানো, কাজের যথাযথ মূল্যায়ন না দেওয়া। এগুলো মনের ভিতরে বড়সড় ক্ষত তৈরি করা।
৩. একজনের মন খারাপ, কিন্তু কিছুই বলছেন না। অন্যজন তা খেয়াল করেও কিছু জিজ্ঞেস করছেন না। এরপর দুজনেই নিজেদের মতো এগিয়ে যান। এমনটা বারবার ঘটতে পারে, যতক্ষণ না নীরবতাকেই সবচেয়ে সহজ পথ বলে মনে হয়। কঠিন বিষয় নিয়ে আলোচনা এড়িয়ে চললে হয়তো সাময়িকভাবে শান্তি বজায় থাকে, কিন্তু এতে দুটো কাছের মানুষের মাঝে তৈরি হয় অসীম দূরত্ব।
৪. ভালোবাসার জন্য সময়ের প্রয়োজন, অথচ বর্তমান সময়ে সকলেই ব্যস্ত। একদিকে কাজ, অন্যদিকে পরিবার, বন্ধুবান্ধব-ব্যালান্স করতে গিয়ে হিমশিম খায় সকলে। তারপরও যেটুকু সময় বাঁচে তা গ্রাস করে মোবাইল। ফলে সঙ্গীর প্রতি গভীর ভালোবাসা থাকা সত্ত্বেও অনেক সময় একসঙ্গে সময় কাটানো, তার মনের কথা শোনা হয়ে ওঠে না। তাতে বাড়ে দূরত্ব।
Source Credit: sangbadpratidin.in
Read Full Story
1
Comments (0)